আল-আজহার মসজিদের যাত্রা, ভূমধ্যসাগরে অভিযান

· Prothom Alo

ইতিহাসের পাতায় ৭ রমজান মুসলিম উম্মাহর আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠান অনন্য দলিল। জ্ঞানতাত্ত্বিক এবং সামরিক উভয় দিক থেকেই দিনটি গুরুত্ববহ। আজ আমরা ফিরে দেখব সেই সব ঘটনা, যা মুসলিম উম্মাহর জ্ঞান ও শক্তির মানচিত্র বদলে দিয়েছিল।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

আল-আজহার মসজিদের উদ্বোধন

৩৬১ হিজরির ৭ রমজান (৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ) মিসরের ইতিহাসে স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত। এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়। (জালালুদ্দিন সুয়ুতি, তারিখুল খুলাফা, পৃষ্ঠা: ৫৫৫, ২০০৪)

প্রাথমিকভাবে এটি একটি মসজিদ হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও খুব দ্রুতই এটি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ইসলামি বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়।

ইবনে কাসির তাঁর ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন যে, এই মসজিদটি কেবল ইবাদতের জন্য নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রতিরক্ষা বুহ্য হিসেবেও কাজ করেছে। ইবনে কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১১/৩২০, ১৯৮৮)

এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।
আন্দালুস বিজয় ও মসজিদে নববিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা

এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে আল-আজহারের মিনারগুলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের পথপ্রদর্শন করে চলেছে।

ভূমধ্যসাগরে তুরগুত বের অভিযান

৯৬০ হিজরির ৭ রমজান (১৫৫৩ খ্রিষ্টাব্দ) অটোমান নৌ-সেনাপতি তুরগুত বে ভূমধ্যসাগরে অস্ট্রিয়া ও জেনোয়ার বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেন। (ইবনে আসির, আল-কামিল ফিত তারিখ, ৯/১৪০, ১৯৮৭])

এই অভিযানের লক্ষ্য কেবল ভূখণ্ড জয় ছিল না, বরং জেনোয়া ও স্পেনের বিভিন্ন দুর্গে দীর্ঘকাল ধরে দাসের মতো খাটানো ৭ হাজার মুসলিম বন্দিকে তিনি এই দিনে মুক্ত করে উত্তর আফ্রিকায় ফিরিয়ে আনেন। (ইবনে কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১৪/৯৫, ১৯৮৮)

ইসলামের প্রথম পতাকা, ওসমানীয়দের ইউরোপ অভিযান
৪ লাখ দুর্ধর্ষ সৈন্যের নিয়ে সুলতান ক্ষমতার আরোহণ করেন। তাঁর সাম্রাজ্য ভারত থেকে ইরাক পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

এই বিজয়ের ফলে পরবর্তী কয়েক দশক পর্যন্ত ইউরোপীয় নৌ-শক্তি সেখানে আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি।

খাওয়ারিজম শাহর উত্থান

৫৯৬ হিজরির ৭ রমজান সুলতান আলাউদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ ইরানের অধিকাংশ অঞ্চলের ওপর তাঁর একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। [ইবনে আসির, আল-কামিল ফিত তারিখ, ৯/১৮০, ১৯৮৭)

৪ লাখ দুর্ধর্ষ সৈন্যের নিয়ে সুলতান ক্ষমতার আরোহণ করেন। তাঁর সাম্রাজ্য ভারত থেকে ইরাক পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তবে ইতিহাসবিদ ইমাম জাহাবি উল্লেখ করেছেন, ক্ষমতার আড়ালেই তাঁর পতনের বীজ রোপিত হয়েছিল (সিয়ারু আলামিন নুবালা, ২২/২০৫, ১৯৮৫)

খেলাফতের সাথে অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং চেঙ্গিস খানের সঙ্গে অপরিণামদর্শী শত্রুতা শেষ পর্যন্ত এই শক্তিশালী সাম্রাজ্যকে মঙ্গোলদের ধ্বংসযজ্ঞের মুখে ঠেলে দেয়।

সিন্ধু বিজয় ও ‘আম্মুরিয়া’ পতনের ইতিহাস

Read at source