ইনফান্তিনো আরও ৩০ বছর ফিফা সভাপতি থাকবেন, আশা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

· Prothom Alo

জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ফিফা সভাপতি পদে ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি। আগামী বছর তাঁর চলমান মেয়াদ শেষ হবে। আবার নির্বাচিত হলে থাকতে পারবেন ২০৩১ সাল পর্যন্ত। তবে পাঁচ বছর নয়, ইনফান্তিনোকে আরও ৩০ বছর ফিফাপ্রধানের চেয়ারে দেখতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

ফিফায় ইনফান্তিনোর এক দর্শক পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া অভিনন্দনবার্তায় ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে আশা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১০ বছর পূর্ণ করায় জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে অভিনন্দন। তিনি কী দারুণ একজন নেতা! আমি আশা করি তিনি আরও ১০, ২০ বা ৩০ বছর সেখানে থাকবেন।’

২০১৬ সালে ফিফা সভাপতি হওয়ার আগে ইনফান্তিনো ছিলেন ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার সেক্রেটারি। এর আগের বছর দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কেলেঙ্কারির জেরে ১৭ বছরের সভাপতি সেফ ব্লাটার পদত্যাগে বাধ্য হন। দুর্নীতির অভিযোগে নিষিদ্ধ হন উয়েফা সভাপতি মিশেল প্লাতিনিও। এরপর উয়েফার বিকল্প প্রার্থী হিসেবে ইনফান্তিনো ফিফা সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন।

পরবর্তী সময়ে ২০১৯ ও ২০২৩ সালে তিনি ফিফা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হন। ব্লাটার বিদায় নেওয়ার পর ফিফা কংগ্রেসে সিদ্ধান্ত হয়েছিল কোনো সভাপতি ৩ মেয়াদের বেশি (সর্বোচ্চ ১২ বছর) ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। ব্লাটারের মতো দীর্ঘমেয়াদি এবং একচেটিয়া ক্ষমতা রোধ করার জন্য সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো

২০২২ সালের ডিসেম্বরে কাতারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ইনফান্তিনোর ২০১৬-২০১৯ সময়কালটি ১২ বছরের সীমার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না। কারণ হিসেবে এটি ‘অসম্পূর্ণ’ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। যে কারণে ইনফান্তিনোর সামনে ২০২৭ সালে আরও একবার সভাপতি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর সেটি হলে তাঁর ১২ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০৩১ সালে।

যার অর্থ ইনফান্তিনো ফিফাপ্রধান থাকতে পারবেন আর সর্বোচ্চ ৫ বছর। ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের সূত্রে ইনফান্তিনো ও ট্রাম্পের মধ্যে যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে, সেই সূত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁকে আরও ১০, ২০, ৩০ বছর চাইলেও বর্তমান নিয়মের অধীনে তা সম্ভব নয়।

বিশ্বকাপে প্রাইজমানির রেকর্ড ফিফার, তবু লোকসানের শঙ্কা ইউরোপের দলগুলোর

Read at source