ফিলিপাইনে চার দিনের কর্মসপ্তাহ, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সিদ্ধান্ত
· Prothom Alo

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরানের মধ্য যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এ পটভূমিতে ফিলিপাইনের কিছু সরকারি দপ্তরে চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র গত শুক্রবার এ ঘোষণা দেন।
Visit truewildslot.com for more information.
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল সোমবার ৯ মার্চ থেকে নির্বাহী শাখার কিছু অফিসে সাময়িকভাবে চার দিনের কর্মসপ্তাহ কার্যকর হবে। তবে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং জনসাধারণকে সরাসরি সেবা দেওয়া জরুরি দপ্তরগুলো এই ব্যবস্থার বাইরে থাকবে। দেশটির গণমাধ্যমে ইনকিউরার ডট নেটের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ
প্রেসিডেন্ট মার্কোস বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয় ও ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি আরও নির্দেশ দিয়েছেন, সব সরকারি সংস্থাকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমাতে হবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় সরকারি সফর ও অফিসের বাইরে সভা-সেমিনার আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি নির্দেশনা ও বাস্তবায়ন
সরকারি স্মারক নম্বর ১১৪ অনুযায়ী, চার দিনের এই অনসাইট কর্মব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে, অথবা প্রেসিডেন্ট চাইলে আগে তুলে নিতে পারবেন। এ ছাড়া সব সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব নির্দেশিকা তৈরি করে উপস্থিতি যাচাই, কাজের মানদণ্ড নির্ধারণ এবং কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
পুলিশে সার্জেন্টের চাকরির আবেদন যেভাবে করবেনরিমোট ওয়ার্কের উদ্যোগ
এদিকে কিছু সরকারি সংস্থা ইতিমধ্যেই বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় (ডিটিআই) জানিয়েছে, ১৩ মার্চ থেকে মাকাতি সিটির অফিসগুলোয় দূরবর্তী বা রিমোট ওয়ার্ক ব্যবস্থা চালু করা হবে। বেসরকারি খাতের ক্ষেত্রে বিকল্প কর্মব্যবস্থা চালুর সুযোগ রয়েছে ২০১৮ সালের টেলিকমিউটিং আইন অনুযায়ী।
শিক্ষা উপবৃত্তির নির্দেশিকা প্রকাশ, কোন ক্লাসে কত টাকা পাবে শিক্ষার্থীরাব্যবসায়ী সংগঠনের সতর্কতা
তবে দেশটির বৃহত্তম ব্যবসায়ী সংগঠন ফিলিপাইন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (পিসিসিআই) বেসরকারি খাতে চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালুর ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি ফার্দিনান্দ ফেরার বলেন, বিভিন্ন শিল্প খাতের প্রয়োজন ও বাস্তবতা বিবেচনা না করে একযোগে চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করলে কিছু খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে উৎপাদন খাতে।
তেলের সংকট মোকাবিলায় অতীতেও ফিলিপাইন সরকার একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল। ১৯৯০ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়ও অর্থনৈতিক চাপ কমাতে চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করা হয়েছিল।
বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা, এমন শিক্ষাব্যবস্থার স্বপ্ন দেখি: শিক্ষা উপদেষ্টা