ঈদের আগের দিন গাবতলী বাস টার্মিনাল অনেকটা ফাঁকা
· Prothom Alo
রাজধানীর গাবতলী আন্তজেলা বাস টার্মিনালে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীর চাপ কম। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের দিন আজ শুক্রবার দুপুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগামীকাল শনিবার ঈদ। তা ছাড়া এবার লম্বা ছুটি ছিল। ইতিমধ্যে বেশির ভাগ মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। সে কারণে আজ সকাল থেকেই যাত্রীর চাপ নেই।
আজ বেলা দেড়টার দিকে দেখা যায়, হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। গাবতলী বাস টার্মিনালের অধিকাংশ কাউন্টারের সামনে কোনো যাত্রী নেই। কিছু কাউন্টারে দু-একজন করে যাত্রী আসছেন। তাৎক্ষণিক টিকিট কেটে চলে যাচ্ছেন। কোনো কোনো কাউন্টারের লোকজন ডাকাডাকি করেও যাত্রীর দেখা পাচ্ছেন না।
নূর আলম নামের একজন যাত্রী বেলা পৌনে দুইটার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ঢাকায় ইজিবাইকের ব্যবসা আছে। সবকিছু গুছিয়ে তিনি আজ গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গায় যাওয়ার জন্য এখানে এসেছেন। পূর্বাশা নামের একটি কাউন্টারে এসেই তিনি টিকিট পেয়েছেন। টিকিট পেতে কোনো সমস্যা হয়নি। ভাড়া নিয়েছে ৭৫০ টাকা। সাধারণ সময় ভাড়া থাকে ৬৫০ টাকা।
রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যেতে গাবতলী বাস টার্মিনালে বসে আছেন কিছু যাত্রীস্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে গোপালগঞ্জ যাবেন মো. সুমন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর টিকিট আগে থেকেই কাটা ছিল। কোনো সমস্যা নেই।
ঢাকা থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার রাব্বি হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল থেকে তাঁরা তিনটি ট্রিপ ছেড়েছেন। ইতিমধ্যে মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। সে কারণে আজকে যাত্রীর চাপ একদম কম। এখন ব্যবসায়ী বা অন্য কারণে যাঁরা ঢাকায় ছিলেন, তাঁরা যাচ্ছেন। আজকে চাঁদরাত, যাত্রী বাড়ার আশা নেই। তারপরও আজ আরও তিনটি বাস ছাড়তে পারবেন বলে তাঁর আশা।
‘শৈলকুপা, মাগুরা’ বলে অন্তত ২০ মিনিট ডাকাডাকি করতে শোনা যায় মো. শাহীনকে। তিনি শৈলকুপা ডিলাক্সের কর্মচারী। শাহীন প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল থেকে তাঁদের দুটি বাস যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে। বেলা একটায় আরেকটি বাস যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আধা ঘণ্টা ডাকাডাকি করে মাত্র ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী হয়েছে।